ইপসা (ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল এ্যাকশন)

banner

সংস্থার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

স্থায়ীত্বশীল উন্নয়নের জন্য সংগঠন ইপসা (ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল এ্যাকশন) ১৯৮৫ সাল থেকে লক্ষিত জনগোষ্ঠীর দারিদ্র বিমোচন ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বৃহত্তর চট্টগ্রাম সহ সমগ্র বাংলাদেশে কাজ করে যাচ্ছে। ইপসা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এনজিও বিষয়ক বুর্যোসহ বিভিন্ন বিভাগের নিবন্ধীকৃত একটি অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। 

বর্তমানে ইপসা সামাজিক উন্নয়ন বিভাগ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিভাগ, অর্থ বিভাগ, মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন বিভাগ, নলেজ ম্যানেজমেন্ট ফর ডেভেলপমেন্ট বিভাগের মাধ্যমে স্বাস্থ্য কার্যক্রম, শিক্ষা কার্যক্রম, মানবাধিকার ও সুশাসন বিষয়ক কার্যক্রম, অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন কার্যক্রম, পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম বিষয়ক এই ৫ টি মূল থিমে কাজ করছে। 

উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইপসা স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে লাভ করেছে এক সম্মানজনক অবস্থান ও অর্জন করেছে বিভিন্ন সম্মাননা ও স্বীকৃতি। ইপসা, বাংলাদেশ সরকারের ভিশন ২০২১ এর বাস্তবায়ন, এবং ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে রুপান্তরনে সরকারের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করছে। সর্বোপরি স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন লক্ষ্য (্এসডিজি) ২০৩০ এর সফল বাস্তবায়নে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম সমূহের সাথে সমন্বয় করে ইপসা বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে এবং কৌশলপত্র নির্ধারন করেছে।

অভিবাসন বিষয়ে কার্যক্রম ও সেবা সমূহ

নিরাপদ অভিবাসন কার্যক্রম ইপসার , মানবাধিকার ও সুশাসন থিমের আওতায় একটি নিয়মিত কর্মসূচী। ইপসা এক যুগের অধিক সময় ধরে নিরাপদ অভিবাসন উন্নতিকরণ, অনিরাপদ অভিবাসন নিরুৎসাহিতকরণ, অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের অধিকার রক্ষায় বিভিন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে যেমন;

  • অভিবাসন বিষয়ক স্টেকহোল্ডার নির্ণয়ে পাওয়ার মেপিং ও হালনাগাদকরণ;
  • নিরাপদ অভিবাসন উন্নতিকরণ ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে উঠান বৈঠক;
  • নিরাপদ অভিবাসন উন্নতিকরণ ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে বাজারে ভিডিও প্রদর্শন;
  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে ক্যাম্পেইন
  • কমিউনিটি রেডিওর মাধ্যমে নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রোগ্রাম প্রচার;
  • অভিবাসন বিষয়ক লিফ্টলেট প্রিন্টিং, স্টিকার প্রিন্টিং, ইনফরমেশন বোর্ড  স্থাপন;
  • অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদেও অধিকার ও প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিতকরনের জন্য বিভিন্ন স্টেকহোল্ডাদের নিয়ে সমন্বয় সভার আয়োজন;
  • গ্রিভেন্স ম্যানেজমেন্ট কমিটিন মাধ্যমে সামাজিক সালিশের মাধ্যমে অভিবাসন বিষয়ক অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পক্তিকরণ;
  • ইউনিয়ন পর্যায়ে শ্রম অভিবাসন সহায়তা কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে সরকারি সেবা সমূহ প্রান্তিকরণ;
  • প্রান্তিক যুব জনগোষ্ঠিকে সংগঠিত করে প্রশিক্ষণ দিয়ে নিরাপদ অভিবাসনের দূত হিসেবে অন্তভূর্ক্ত করণ।
  • মধ্যস্থকারীদের জবাবদিহিত আনায়নের জন্য  সুশাসন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান ও ফলোআপ
  • অভিবাসন সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা সমূহের সাথে সমন্বয় ও সংহতি


ভৌগলিক পরিব্যাপ্তি :
চট্টগ্রাম সিটি, রাঙ্গুনীয়া উপজেলা, স›দ্বীপ উপজেলা।

অভিবাসন বিষয়ে বিশেষ অর্জন ও সফলতা সমূহ

  • অভিবাসন সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলো স্থানীয়ভাবে সমাধানের জন্য ০৬টি গ্রিভেন্স ম্যানেজমেন্ট কমিটি (জিএমসি) গঠন করা হয়েছে। প্রতি জিএমসি গ্রæপের সদস্য সংখ্যা ১৩ জন। উক্ত গ্রিভেন্স ম্যানেজমেন্ট কমিটিকে (জিএমসি) অভিবাসী আইন, নীতিমালা (বিধিবিধান) এবং সামাজিক মেডিয়েশনের নিয়মনীতি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। বর্তমানে তারা দক্ষতার সাথে অভিবাসন বিষয়ক অভিযোগগুলো সমাধান দেবার চেষ্টা করছে। উল্লেখ্য গত কয়েক বছরে জিএমসি’র কাছে প্রায় ২০০ টির মত অভিযোগ জমা পড়েছে । সেখান থেকে জিএমসি সামাজিক সালিশের মাধ্যমে ৫০ টি অভিযোগ সমাধান করে, আদায় করেছে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা। বাকী অভিযোগগুলো সমাধানের জন্য জেলা লিগ্যাল এইড অফিস, জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস এবং  বিএমইটিতে রেফার করেছেন। রেফারকৃত অভিযোগগুলোর অগ্রগতি জানতে জিএমসি সদস্যগণ নিয়মিত ফলোয়াপ করে থাকেন ।
  • নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক জিএমসি সদস্যদের কার্যক্রমকে সহায়তা, প্রান্তিক পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা, সরকারের চলমান সেবা ও সরকারি শ্রম অভিবাসন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সেবা সর্ম্পকে জনগণকে অবহিত করার জন্য কর্মএলাকারয় ০৬টি যুব স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করা হয়েছে । । প্রতি স্বেচ্ছাসেবক গ্রæপের সদস্য সংখ্যা ২০ জন। উক্ত স্বেচ্ছাসেবক গ্রæপের সদস্যরা অভিবাসন প্রত্যাশীদের নিয়দিতভাবে নিরাপদ অভিবাসনের ধাপ, সরকারী সেবা প্রতিষ্ঠানের সেবার ধরন সম্পর্কে অবহিত করছে। বর্তমানে যুব স্বেচ্ছাসেবকদের কার্যক্রমের ফলে স্থানীয় পর্যায়ে দালাল নির্ভরতা ও অভিবাসন বিষয়ক প্রতারণা অনেকাংশে কমে এসেছে।   
  • সরকারের অভিবাসন বিষয়ক সেবা ও তথ্য সমূহ প্রান্তিক জনগোষ্ঠিকে অবহিত করার জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে মাইগ্রেশন সাপোর্ট সেন্টার। এই সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে প্রায় ৪ হাজার অভিবাসী কর্মী ও তাদেও পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক তথ্য ও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ।
  • অভিবাসন বিষয়ক বিভিন্ন ষ্টেকহোল্ডারদের সাথে সংবেদনশীল সম্পর্ক তৈরী হয়েছে। যেমন-জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের সাথে ইপসা’র একটি সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছে। যার ফলে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে ইপসা নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক অভিযোগগুলো সমাধান করার বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন । ইতিমধ্যে জেলা লিগেল এইড অফিসে প্রায় ১৫টি অভিযোগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
  • নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক বিভিন্ন তথ্য প্রান্তিক পর্যায়ে পৌছেঁ দেওয়ার নিমিত্তে ইপসা কমিউনিটি রেডিওর মাধ্যমে নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক প্রোগ্রাম প্রচার করে আসছে যেমন , নিরাপদ অভিবাসনের ধাপ সমূহ,সরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের (জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস, টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার, কর্মসংস্থান ব্যাংক ইত্যাদি) সেবা সমুহ। এছাড়া অভিবাসন বিষয়ক লিফ্টলেট প্রিন্টিং, স্টিকার প্রিন্টিং, ইনফরমেশন বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয় অভিবাসী কর্মী ওতাদের পরিবারের সদস্যরা সেখান থেকে সঠিক তথ্য গ্রহন করছেন।
  • ক্ষতিগ্রস্থ অভিবাসী, অভিবাসী পরিবার, সাম্ভাব্য অভিবাসী তাদের অভিযোগ সহজে এবং দ্রæত দাখিল করার জন্য ইপসা অফলাইনের পাশাপাশি অনলাইনেও অভিযোগ দাখিলের ব্যবস্থা করেছে। এখন যে কেউ অভিবাসন বিষয়ক অভিযোগ ঘরে বসেই দাখিল করতে পারছে। পাশাপাশি তাদেরকে বিএমইটি ওয়েবসাইটে কিভাবে অভিযোগ দাখিল করা যায় সেই ব্যপারেও বিস্তারিত জানানো হচ্ছে।
  • ইপসা, বাংলাদেশের শ্রম অভিবাসন এর চ্যালেঞ্জ, চাহিদা, সুপারিশমালা ও অভিবাসন বিষয়ক অভিযোগ সমাধানে জিএমসি’র ভূমিকা বিষয়ক একটি গবেষণা প্রকাশ করা হয়েছে এবং উক্ত গবেষণাটি জাতীয় পর্যায়ের স্টেকহোল্ডারদের সাথে শেয়ার করা হয়েছে ।
  • মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের অবস্থা ও অবস্থান নির্ণয়ে একটি বিশেষ গবেষণা পরিচালিত করা হয়। গবেষণায় অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের অবস্থান উন্নয়নে বেশ কিছু সুপারিশ ও করনীয় বিষয় নির্ধারণ করা হয়। এছাড়াও উক্ত সুপারিশমালা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশ পেয়েছে। বর্তমানে সরকার এসব বিষয়ে কাজ করছে।
  • নিরাপদ শ্রম অভিবাসনে দক্ষতার সহিত কাজ করার স্বীকৃতিস্বরুপ, ২০১৯ সাওল জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস, চট্টগ্রাম ইপসাকে শ্রেষ্ঠ বেসরকারি সংগঠন হিসেবে ঘোষনা দিয়েছেন।
আলোকচিত্র
জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস, চট্টগ্রাম ইপসাকে চট্টগ্রামের শ্রেষ্ঠ অভিবাসন বান্ধব এনজিও সম্মাননা প্রদান
Round table meeting
নিরাপদ শ্রম অভিবাসন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে দৈনিক প্রথম আলোর সাথে গোলটেবিল বৈঠক
Information-Board launching
অভিবাসন বিষয়ক তথ্য সমৃদ্ধ ইনফরমেশন বোর্ড
শ্রম অভিবাসন সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সাথে সমন্বয় সভায়, ইপসার প্রধান নির্বাহী।
গ্লোবাল ফোরাম অন মাইগ্রেশন এন্ড ডেভেলপমেন্টে এর জাতীয় পরামর্শ সভায় ইপসা’র অংশগ্রহণ
Global forum
গ্লোবাল ফোরাম অন মাইগ্রেশন-২০১৮ মরক্কো, ইপসা’র অংশগ্রহণ
নিরাপদ অভিবাসনে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য উঠান বৈঠক
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো’র সাথে অভিজ্ঞতা বিনিময় ওয়ার্কশপ।
জিএমসি কর্তৃক সামাজিক সালিশের মাধ্যমে আদায়কৃত অর্থ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে প্রদান
Virtual meeting
জনাব, ইমরান আহমেদ মাননীয় মন্ত্রী, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদিশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এর সাথে ভার্চুয়াল বৈঠক।

তথ্য, শিক্ষা ও যোগাযোগ উপকরণ

Infographic 1
নিরাপদ শ্রম অভিবাসনের ধাপ সমূহ-০১
Infographic 2
নিরাপদ শ্রম অভিবাসনের ধাপ সমূহ-০২
Info-graphic 3
নিরাপদ শ্রম অভিবাসনের ধাপ সমূহ-০৩
Leaflet
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনামূলক পোস্টার
অডিও-০১: জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস, চট্টগ্রামের তথ্য ও সেবা সমূহ
অডিও-০৩: জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের তথ্য ও সেবা সমূহ
অডিও-০২: ইপসা ফেয়ার মাইগ্রেশন সাপোর্ট সেন্টারের সেবা সমূহ
অডিও-০৪: নিরাপদ শ্রম অভিবাসনের ধাপ সমূহ

সংস্থার ঠিকানা

বাড়ী নং- এফ১০(পি), রোড নং-১৩, ব্লক-বি, চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা, চট্টগ্রাম-৪২১২

০৩১ ৬৭১৬৯০

info@ypsa.org

www.ypsa.org

facebook.com/YPSAbd

যোগাযোগ

মোঃ আরিফুর রহমান, প্রধান নির্বাহী, ইপসা

০১৭১১ ৮২৫০৬৮

ypsa_arif@yahoo.com

মোঃ আব্দুস সবুর, প্রোগ্রাম ম্যানেজার (অভিবাসন ফোকাল), ইপসা-এফএলএম প্রকল্প।

০১৭১১ ০২৫০৯৬

facebook.com/YPSAFLM